বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২০ জানুয়ারি ২০২১

ভূমিকা

বাংলা­দেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান (জাতীয়করণ) অধ্যা­­দশ ১৯৭২ অনুযায়ী ১ জুলাই ১৯৭২ সালে বাংলা­­দশ ষ্টীল  মিলস কর­­পা­­রশন এবং বাংলাদেশ প্র­কৌশল ও জাহাজ নির্মাণ কর­পো­­রশন গঠিত হয় । পরবর্তীতে বাংলা­­দশ শিল্প প্রতিষ্ঠান অধ্যা­­দশ ১৯৭৬ (জাতীয়করণ দ্বিতীয়  সং­­শাধনী) অনুযায়ী  দুইটি করপোরেশন­­ একত্রীভূত করে ১ জুলাই  ১৯৭৬ সালে বাংলা­দেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন গঠন করা  হয়। বর্তমানে আইনটি বাংলাদেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ আইন, ২০১৮ নামে অভিহিত। প্রারম্ভিক ভাবে বাংলাদেশ স্টীল মিলস্ করপোরেশন ও বাংলাদেশ প্রকৌশল ও জাহাজ নির্মাণ করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণাধীন ৬২টি শিল্প প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএসইসি কার্যক্রম শুরু করে। এর পরে বিএসইসি নিজস্ব উদ্যোগে ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ ব্লেড ফ্যাক্টরী লিঃ প্রতিষ্ঠা করে। বর্তমানে করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় ৯ টি শিল্প প্রতিষ্ঠান চালু রয়েছে। এই শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে এটলাস বাংলাদেশ লিঃ, ন্যাশনাল টিউবস লিঃ এবং ইস্টার্ন কেবলস লিঃ এর ৪৯% শেয়ার অফলোডকৃত। বাকী শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহ ইস্টার্ন টিউবস লি., গাজী ওয়্যারস লি., জেনারেল ইলেকট্রিক ম্যানুফেকচারিং কোং. লি., প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লি., বাংলাদেশ ব্লেড ফ্যাক্টরি লি., এবং ঢাকা স্টীল ওয়ার্কস লি. এর ১০০% শেয়ার বিএসইসি’র তথা সরকারের।এছাড়া ২০১৩ সালে জাপানের হোন্ডা (৭০% শেয়ার) ও বিএসইসি (৩০%শেয়ার)-এর সাথে জয়েন্ট ভেঞ্চারে বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লি. স্থাপন করা হয়েছে। বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণাধীন শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। বিএসইসি’র প্রতিষ্ঠান সমূহ বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি যথা বৈদ্যুতিক কেবলস, ট্রান্সফরমার, ফ্লোরেসেন্ট টিউব লাইট, সিএফএল বাল্ব, সুপার এনামেল কপার ওয়্যার, ইত্যাদি উৎপাদন করে দেশের বিদ্যুৎ বিতরণ খাতে অবদান রাখছে।বিএসইসি'র শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহ বাস, ট্রাক, জীপ, মোটর সাইকেল ইত্যাদি সংযোজনপূর্বক সরবরাহ করে দেশে পরিবহন ব্যবস্থায় অবদান রাখছে। এছাড়াও বিএসইসি’র প্রতিষ্ঠানসমূহ জিআই/এমএস/ এপিআই পাইপ, এমএস রড, সেফটি রেজর ব্লেডও উৎপাদন করে থাকে। সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে বিএসইসি’র শিল্প প্রতিষ্ঠাসমূহ ৬৩২.১১ কোটি টাকা মূল্যের পণ্য উৎপাদন ও ৮৯৮.৩৭ কোটি টাকার পণ্য বিক্রয় করে ৬১.৩১ কোটি টাকা নীট মুনাফা (করপূর্ব) অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়াও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ভ্যাট-ট্যাক্স বাবদ ৩০২.০০ কোটি টাকা জমা প্রদান করেছে।


Share with :

Facebook Facebook